গ্রামের হাট-বাজারগুলোতে সাধারণ মানুষের আনাগোনা কমে গেছে

0

গ্রামের হাট-বাজারগুলোতে সাধারণ মানুষের আনাগোনা কমে গেছে

সেলিম সরকার,বিশেষ প্রতিনিধিঃঃ

গ্রামের হাট-বাজারগুলোতে সাধারণ মানুষের আনাগোনা কমে গেছে। কৃষিপণ্য, বিশেষ করে ধানের বাজারে দু’ চার মণ ধান নিয়ে বসে থাকা কৃষকের বিমর্ষ মুখের দিকে যেন তাকানো যায়না। ধানের দাম উৎপাদন ব্যয়ের তুলনায় কিছুটা কম। অগ্রহায়ণ মাস থেকে শুরু করে গত সপ্তাহ পর্যন্ত মণপ্রতি প্রায় ১শ’ টাকা থেকে দেড়শ’ লোকসান গুনতে হয়েছে কৃষককে। যদিও, প্রাপ্যতা না থাকায়, গত দু’দিন আগে উত্তরাঞ্চলের কোনো কোনো এলাকায় দাম একটু বেড়েছে। তবে, বাজারে নতুন ধানের সরবরাহ শুরু হলে, স্বাভাবিক নিয়মেই তা কমে যাবে।

শীতকালীন বেশকিছু সব্জীতেও এবার তেমন একটা দাম পাওয়া যায়নি। আলু ও ফুলকপিসহ বিভিন্ন পণ্য মহাসড়কের উপর রেখে প্রতিবাদ করতেও দেখা গেছে। ফসলের দাম না থাকলে, বিলাসী পণ্যের বাজারে মন্দা ভাব থাকে। এই ভরা মৌসুমে প্রতি বছর নির্মাণ সামগ্রীর দাম বাড়ে। কিন্তু এবার রড, সিমেন্ট ও ইটের দাম স্বাভাবিকের চেয়েও কম। যদিও ঘর-বাড়ি শহরেই বেশি নির্মাণ হয় বলে মনে করা হয়। কিন্তু শহরের সেই সব নির্মাতাদের অনেকেরই শেঁকড় গ্রামে। কৃষিই যে এদেশের অর্থনীতির প্রাণ, ধানের দাম না থাকায়, বিক্রেতাদের একাংশ তা ঠিকই টের পাচ্ছেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রতি বছরই আমাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়তে হয়। এর ফলে সবচে’ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষিখাত। বন্যা, খরা, ঝড় তথা বৈরী আবহাওয়া কৃষি খাতের ব্যাপক ক্ষতি করে। দেখা যায়, প্রতি বছরই দুই বা তিন ফসলী জমির কোনো না কোনো ফসল প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে। এতে কৃষকের সঞ্চয় বলে আর কিছু থাকেনা। কখনো কখনো ঋণ করে সংসার চালাতে গিয়ে কেউ কেউ দেউলিয়া হন। গরু, ছাগল বা জমিজমা বিক্রি করে সেই ঘাটতি পুরণ করতে হয়। এভাবে দীর্ঘ মেয়াদে চলতে থাকলে গ্রামের মানুষ একদিন হয়তো কৃষি কাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন। শিক্ষার অগ্রগতির ফলে এমনিতেই গ্রামে মানুষের বসবাস দিন দিন কমে যাচ্ছে। নগর সভ্যতার সুবিধা নিতে বিশেষ করে সন্তানদের উচ্চ শিক্ষা দিতে আর কাজের সুযোগ পেতে প্রতি বছরই অসংখ্য মানুষ শহরে পাড়ি জমাচ্ছে। বড় হচ্ছে শহর। আর অন্যদিকে, গ্রামে মানুষের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। গ্রামগুলো এখন আর আগের মতো শিশুদের কলরবে মূখর থাকেনা। বাড়ির আঙিনায় শিশুরা দলবেঁধে যেখানে খেলা করতো, এখন সেখানে অনেকটাই নিরবতা।

কৃষি কাজে লাভ না হলে, শুধুমাত্র বাপ-দাদার পেশা মনে করে যুগ-যুগ ধরে মানুষ একে আঁকড়ে থাকবে, তা মনে করার কোনো কারণ নেই। বরং সুযোগ পেলে তারা পেশা বদলাবেন। আয়ের বিকল্প উৎস ও অভিজ্ঞতা না থাকায়, নিরুপায় হয়েই মানুষ কৃষিকে আকড়ে ধরে আছে। বেঁচে থাকার তাগিদেই একদিন হয়তো এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় তারা নাম লেখাবে। সম্প্রতি ‘অ্যাকশন এইড’ ও ‘খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক’ পরিচালিত এক জরিপে এমনই আশঙ্কাজনক তথ্য উঠে এসেছে। জরিপে দেখা যায়, “৮৩ শতাংশের বেশি কৃষকের আয় পরিবারের চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়। এ কারণে ৬৫ শতাংশেরও বেশি কৃষক বিভিন্ন সময়ে অন্য পেশায় চলে যেতে চান।”

‘বাংলাদেশে পারিবারিক কৃষি সঙ্কট ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক জরিপটি খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক সেমিনারে সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়। জরিপের তথ্যানুযায়ী, অন্যপেশায় পাড়ি জমাতে ইচ্ছুকদের অনেকে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে মাঝে মধ্যে অন্য পেশাতেও কাজ করেন। বরিশাল, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, রাজশাহী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জসহ ১১টি জেলার ১৪টি উপজেলার ৪৪টি ইউনিয়নের ৮৬টি গ্রাম থেকে মোট ৮৯৯ জন কৃষকের ওপর এই জরিপ চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৪ জন নারী এবং ৭১৫ জন পুরুষ। জরিপে অংশ নেয়া কৃষকের মধ্যে থেকে ৮৩.১৫ শতাংশ কৃষকের মতে, কৃষি থেকে অর্জিত আয় তাদের পারিবারিক চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়। ক্ষেত-খামার থেকে মাসিক আয়ের হিসেবে দেখা যায় প্রতি ১শ’ জনে ২১ জন কৃষকের আয় মাত্র ১০০০ টাকা, ১১ জনের ১১০১ টাকা থেকে ৪০০০ টাকা, ১৭ জনের আয় ৪০০১ টাকা থেকে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত, ১৭ দশমিক ৫ জনের আয় ৭০০১ টাকা থেকে ১০,০০০ টাকা, ৯ জনের আয় ১০,০০১ টাকা থেকে ২০,০০০ টাকা, ২ জনের আয় ২০,০০১ টাকা থেকে ৪০,০০০ টাকা; আর মাত্র ২ দশমিক ৫ জন কৃষকের মাসিক আয় ৪০,০০০ টাকার বেশি। জরিপের সারসংক্ষেপ হলো- শতকরা ৬৭.৫ শতাংশ কৃষকেরই মাসিক আয় ১০ হাজার টাকার নিচে।

আশির দশকে জিডিপিতে কৃষির অবদান ছিল ৩৩.০৭ শতাংশ। নব্বইয়ের দশকে তা কমে দাঁড়ায় ২৯.২৩ শতাংশে। আর ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান মাত্র ১৪.২৩ শতাংশ। এ থেকে অনুমান করা যায়, সামগ্রিকভাবে দেশের প্রবৃদ্ধি বাড়লেও কৃষিখাত দিনদিন সঙ্কটে পতিত হচ্ছে। অথচ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের শতকরা ৬০ ভাগ মানুষের জীবন জীবীকা কৃষির উপর নির্ভরশীল। আর ৪৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি কৃষি কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট। দেশে শিল্পায়নের যে ধারা সৃষ্টি হয়েছে, তার সিংহভাগই কৃষি নির্ভর। কৃষিতে বিপর্যয় দেখা দিলে উল্লিখিত ৪৭ থেকে ৬০ শতাংশ মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এদেশের অর্থনীতি কৃষিকে আবর্তন করেই রচিত। কৃষি অর্থনীতি চাঙ্গা হলে, দেশের সিংহভাগ মানুষের মুখে হাসি ফুটবে। ছোট আয়তনের এই দেশটাতে ১৬ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস। কৃষি উৎপাদন ব্যহত হলে, খাদ্য আমদানি করে কোনোভাবেই খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণসহ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবেনা।

জরিপে, কৃষিখাতের বেশকিছু সংকটের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে কৃষকের আত্মপরিচয় সংকট, মর্যাদাহীন পেশা, শুধু বাজার ও একক শস্য উৎপাদনের জন্য বিবেচনা করা, কৃষিকে অলাভজনক পেশা হিসেবে মূল্যায়ন, কৃষিজমির বিচারহীন বেদখল ও অকৃষি খাতে এর ব্যবহার; জমির মালিকানাজনিত জটিলতা ও নিরাপত্তাহীনতা, পারিবারিক কৃষির জন্য সহায়ক নীতি ও কর্মসূচির অভাব, কৃষি বিকাশে এর সংস্কার, রাষ্ট্রীয় প্রণোদনা ও বাজেটের অভাব; কৃষক, উৎপাদক, ক্রেতা, বিক্রেতা ও ভোক্তার ভেতর পারস্পরিক আন্তঃ নির্ভরশীল সম্পর্ক তৈরি না হওয়াসহ মোট ১৫টি সমস্যার কথা বলা হয়েছে। আর পারিবারিক কৃষি জোরদার করতে কৃষিজমি সুরক্ষা ও কৃষিজমিতে কৃষকের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা, কৃষি প্রতিবেশভিত্তিক কৃষি সুরক্ষা নিশ্চিত করা, কৃষিতে যুবসমাজের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং ক্ষুদ্র কৃষকদের স্বার্থে শস্য বীমা, কৃষকদের জন্য পেনশন স্কিম, বীজ বীমা এবং অণুজীব ভর্তুকি প্রদানসহ ১০টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

কৃষিতে সরকারি তৎপরতা কমে গেছে তা বলা যাবেনা। বরং আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে এটাই সত্য। এর প্রমাণ কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গবেষণা কর্মকান্ড বৃদ্ধিসহ সার ও বীজে ভর্তুকী দেয়া হচ্ছে। কীট পতঙ্গের হাত থেকে ফসল রক্ষায় নিত্য নতুন গবেষণা ও প্রয়োগ অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মুল্য নিশ্চিত করা, সরাসরি কৃষকের নিকট হতে সময় মতো ফসল কেনা ও সহজ শর্তে কৃষিঋণ বিতরণে সরকারি উদ্যোগ ততোটা আশাব্যঞ্জক নয়। বিশেষকরে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো থেকে কৃষিঋণ প্রাপ্তি মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়। নানাভাবে হয়রানীর শিকার হতে হয় সাধারণ কৃষকদের। চাহিদার তুলনায় ঋণও মেলেনা। কৃষিখাতের নামে বড় অংকের যেসব ঋণ দেয়া হয়, তার বেশিরভাগই ব্যবসায়ী ও কৃষিভিত্তিক শিল্প মালিকদের পকেটে চলে যায়। আবার ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগ শুরু হতে দেরি হলে, ব্যাপারিদের কাছে সস্তায় তা বিক্রি করতে হয়। সরাসরি কৃষকের নিকট থেকে ধান সংগ্রহের কথা বলা হলেও, সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে বেশিরভাগ কৃষক সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন।

চলতি বছর বিদেশ থেকে হঠাৎ করে ধান আমদানি করায় বিপাকে পড়েছেন দেশের মিল মালিকরা। প্রথম দিকে তারা ধান ও চালের সরকারি ক্রয়মুল্য মাথায় রেখে চড়া দামে ক্রয় করেন। কিন্তু বিদেশ থেকে চাল আমদানি করে তা বাজারে ছাড়ায় মিল মালিকরা বিপদে পড়েছেন। এখন না পারছেন সেই ধান বিক্রি করতে, আর না পারছেন ব্যাংকঋণসহ কর্মচারিদের বেতন-ভাতাদি পরিশোধ করতে। বগুড়া, নওগাঁ, দিনাজপুর, কুষ্টিয়াসহ দেশের বেশিরভাগ মিলগুলো এখন বন্ধ হওয়ার উপক্রম। অনেকে সক্ষমতার তুলনায় মিলের উৎপাদন এক চতুর্থাংশে নামিয়ে এনেছেন। নতুন করে এসব মিল মালিকরা ধান কেনা বন্ধ রেখেছেন। ধানের বাজারের চলমান এই অস্থিরতা কৃষক ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের জন্য ক্ষতিকর। এ অবস্থা আগামীতেও চলতে থাকলে কৃষি ও কৃষকের বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী। সাথে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও যে বিপর্যয়ের মুখে পড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

রাষ্ট্রীয়ভাবে ভর্তুকী দিয়ে হলেও কৃষিখাতকে বাঁচানোর কোনো বিকল্প নেই। দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে বাঁচাতে কৃষিখাতে সময়োপযোগি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। আকস্মিকভাবে বিদেশ থেকে চালসহ অন্যান্য খাদ্যশস্য আমদানি না করে বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে, বাস্তবতার নিরিখে আমদানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন। অনেক সময় দেখা যায় সরকারের চোখ ফাঁকি দিয়ে, অনুমোদিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অনেক বেশি চাল বা অন্যান্য খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়। আবার অসাধু কিছু মিল মালিকের কারসাজির কারণেও, অনেক সময় চালের দাম অকারণে বেড়ে যায়। জনসাধারণের স্বার্থে তখন সরকারকে বাধ্য হয়ে, চাল আমদানির আদেশ দিতে হয়। এসব সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। এতে করে দীর্ঘমেয়াদে মিল মালিকরাই লাভবান হবেন। সরকারকেও অপ্রয়োজনে কেবলমাত্র বাজার নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে, অতিরিক্ত চাল আমদানি করতে হবেনা। কৃষকও বছর জুড়ে ন্যায্য মুল্য পাবেন।

ক’দিন পরই কৃষকের ঘরে নতুন ধান আসা শুরু হবে। উৎপাদিত এই ফসলের ন্যায্য মুল্য নিশ্চিত করতে হবে। কৃষকের ঘর থেকে ধান চলে যাওয়ার পর সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ শুরু হলে, সেই সংগ্রহ অভিযানে কৃষকের কোনো লাভ হবেনা। বরং তাতে মধ্যস্বত্বভোগিরাই লাভবান হবে। সরকারিভাবে ফসল ক্রয়ের ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য যেকোনো মুল্যে বন্ধ করা প্রয়োজন। কৃষি ও কৃষকের স্বার্থে রাজনৈতিক প্রভাব বলয় থেকে একে মুক্ত রাখতে হবে। এক্ষেত্রে কৃষককে তার জমির পরিমাণের ভিত্তিতে, গুদামে ধান সরবরাহের সুয়োগ দিতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ফসলের ক্ষেত্রে কৃষিবীমা চালু করা প্রয়োজন। কৃষক দেশের জন্য রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, কনকনে শীতে জমিতে ফসল ফলানোর জন্য নিরন্তর সংগ্রাম করেন। তাদের সেই কষ্টের যথাযথ মুল্যায়ন করা উচিত। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থেকে বের হয়ে, কৃষকের স্বার্থে এখনই পদক্ষেপ নিলে, দীর্ঘ মেয়াদে কৃষির যে বিপর্যয়ের আভাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায়, জটিল অর্থনীতির কাগুজে হিসাবে, দেশের জিডিপি হয়তো বাড়বে; কিন্তু তাতে গ্রামের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ তথা কৃষকের অর্থনৈতিক মুক্তি মিলবেনা।

লেখক: প্রাবন্ধিক
০১৭১১-১৯ ১২ ২০
Salimsarker2015@gmail.com

ক্রাইম ডায়রি///কৃষি

0total visits,0visits today

About Author

Leave A Reply