সু সময়ের সুবিধাভোগীরা আজ নেই

0

দুনিয়ার বাস্তবতাকে আমরা অনেক সময় ভুলে যাই। কি, এটাই বাস্তব।    এইত    কয়েকদিন আগেও তাকে ঘিরে নেতাকর্মীদের জটলা লেগেই থাকতো। ঢাকা থেকে সিলেট ফিরলে ভিড় লেগে থাকতো সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে। ভিআইপি লাউঞ্জে পড়ে যেত হুড়োহুড়ি-ধাক্কাধাক্কি। সবার মধ্যমণি ছিলেন তিনি।স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে উঠতো বিমানবন্দর এলাকা। মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তাকে নিয়ে আসা হতো বাসায়। সেই সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শুক্রবার যখন সিলেটে ফিরলেন তখন তার হুইল চেয়ার ধরার মতো ছিল না কেউ। সাবেক এপিএস জনিকে নিয়ে একাই ওসমানী বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তিনি।

গতশুক্রবার দুপুর । নভোএয়ারের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সিলেট যান আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিমান থেকে নেমে হুইল চেয়ারে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ভিআইপি লাউঞ্জে। জনশূন্য ভিআইপি লাউঞ্জ তখন অনেকটা অপরিচিতই মনে হচ্ছিল মুহিতের কাছে।

সাবেক মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী মন্ত্রী মুহিতকে ঘিরে সবসময়ই আনাগোনা থাকতো সু-সময়ের বন্ধুদের। কিন্তু মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে না পড়তেই মুহিতকে আজ ভুলে গেছেন তারা।

চিরচেনা মুখগুলো দেখতে না পেয়ে অনেকটা হতাশ মনে হচ্ছিল সাবেক এই অর্থমন্ত্রীকে। এতদিন যাদেরকে ‘কাছের মানুষ’ হিসেবে জানতেন তাদের মুখোশের অন্তরালের চেহারাটা হয়তো তখন ভাসছিল তার চোখেমুখে।তবে তথাকথিত সেই ‘কাছের মানুষদের’ মধ্যে একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন বাফুফের কার্যনির্বাহী সদস্য ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম। ভিআইপি লাউঞ্জের গেটে একমাত্র তিনিই স্বাগত জানান মুহিতকে।  আদর্শ বঙ্গবন্ধু   কন্যা। ৷ ৷অসময়ে কি সুসময়ে আদর মমতা দিয়ে সবাইকে কাছে টানেন যিনি। তার আদর্শে আওয়ামীলীগের কর্মী হওয়া জরুরী।      তবে, এরকম  এযুগে মেলা ভার। তাইতো কবি বলেছেন,সু সময়ে বন্ধু বটে অনেকেই হয়, অসময়ে৷ হায় হায় কেহ কারো নয়।

ক্রাইম ডায়রি// লাইফ স্টাইল       

 

152total visits,4visits today

About Author

Leave A Reply